অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, চলতি মাসের গোড়ার দিকে বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর ইরান সিরিয়ার নয়া ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করেনি।
তিনি গতকাল (সোমবার) তার সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আরো বলেছেন, আসাদ সরকারের পতনের বহু আগে থেকে সিরিয়ার বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে তেহরানের যোগাযোগ ছিল। সে সময় তেহরান ওইসব দলকে একথা বোঝাতে পেরেছিল যে, উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসকে দমন করার লক্ষ্যে সেদেশে সামরিক উপদেষ্টা পাঠিয়েছে তেহরান।
সিরিয়ার ক্ষমতাসীন সশস্ত্র গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আশ-শাম বা এইচটিএস তুরস্কের মাধ্যমে ইরানকে বার্তা দিয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের উত্তরে ইরানের এই মুখপাত্র বলেন, তুরস্কের সঙ্গে ইরানের বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয় এবং এসব আলোচনার অন্যতম বিষয়বস্তু সিরিয়া।
বাকায়ি বলেন, সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় থাকুক এবং দেশটির জনগণ বিদেশি হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করুক ইরান তাই চায়। এছাড়া, সিরিয়া যেন সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হতে না পারে সেটিও জরুরি। তবে সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে বিপদাপন্ন করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সিরিয়ার বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে প্রচুর অস্ত্র থাকায় দেশটিতে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেন বাকায়ি। তবে সঠিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে এবং সবগুলো সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করা সম্ভম হলে সিরিয়ায় দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
Leave a Reply